ঢাকার রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁ থেকে গ্রিন কোজি কটেজে ছড়িয়ে পড়া আগুনে মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই। এ পর্যন্ত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ১৪ জন ও বার্ন ইনস্টিটিউটে ৮ জন চিকিৎসাধীন। তবে এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আড়াইটার দিকে ঢামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
এসময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বেইলি রোডের আগুনে মোট ৪৪ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে ১ জন, ঢামেক হাসপাতালে ৩৩ জন ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১০ জনের মরদেহ রয়েছে।
এর আগে রাতে ঢামেক হাসপাতালে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা মেডিকেলে ১৪ জন ও বার্ন ইনস্টিটিউটে আটজন চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের বেশির ভাগের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, হাসপাতালে যাদের মরদেহ রয়েছে তাদের মধ্যে ১৩জন নারী, ১৪ জন পুরুষ ও তিনটি শিশুকে শনাক্ত করা হয়েছে। বার্ন ইনস্টিটিউটের মরদেহগুলোর লিঙ্গ পরিচয় এখনও শনাক্ত হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রয়ারি) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টর ভবনে আগুন লাগে। এরপর ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। গভীর রাত পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছিল। এর আগে রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
আগুনে ওই ভবনের ছাদসহ বিভিন্ন তলায় অনেকেই আটকা পড়েন। টার্ন টেবল ল্যাডার (টিটিএল) ব্যবহার করে ছাদ ও বিভিন্ন তলা থেকে সবাইকে উদ্ধারের চেষ্টা করছিলেন ফায়ার সার্ভিস, আনসার ও বিজিবি সদস্যরা।
জেসি