দৈনিক সোনালী খবর পত্রিকায় “পতেঙ্গার কাডঘর মোজ্জাফার ভবনের ৪র্থ তলায় সাথী ও মনি চালাচ্ছ অসামাজিক কার্যকলাপ” এবং অপরাধ অনুসন্ধান নামের পোর্টালে “চট্রগ্রাম পতেঙ্গার কাটগড়ে মনি প্রকাশ পিচ্ছি মনি অনৈতিক সম্রাজ্যে পথভ্রষ্ট তরুন সমাজ,প্রশাসন নিরব” শিরোনামে আলাদা দু’টি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন দুটি মিথ্যা, বানোয়াট ও ভুয়া দাবি করেছেন অভিযুক্ত মনি।
বুধবার(৫ আগস্ট) সকালে মনি বলেন, কিছু আশিক্ষিত, ব–কলম ব্যক্তি প্রতিপক্ষের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে আমার ক্ষতি করতে উঠেপড়ে লেগেছে। আমার সম্মানহানি করতে সাংবাদিতার মতো মহান পেশাকে ব্যবহার করে প্রতিবেদনের নামে ভুলে ভরা মিথ্য কিছু কল্পকাহিনি প্রচার করেছে তারা। এসবের কিছুর সাথে আমি জড়িত নাই। অহরহ ভুল বানানে লেখা প্রতিবেদন দুটি পড়লেই যেকোন সচেতন ও শিক্ষিত লোক বুঝবে এসব অশিক্ষিত চাঁদাবাজের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রোপাগান্ডা। এর তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমি”।
মনি আরো বলেন, “সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। আমি মুলধারার সাংবাদিকদের সবসময় সম্মানের চোখে দেখি। কিন্তু বন্দর-পতেঙ্গায় কিছু লোক সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মহান এই পেশাকে কলঙ্কিত করেছে। তাদের শিক্ষাগত কোন যোগ্যতা নাই। গার্মেন্টস কর্মী হওয়ার যোগ্যতাও রাখেনা তারা। এসব মুর্খরা যখনতখন ভুল ভাল লিখে মানুষের সম্মানহানি করে। জিম্মি করে চাঁদা আদায় করে। তাদের বিরুদ্ধে মুলধারার সাংবাদিকদের ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করবো। প্রশাসনেরও উচিত তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া। ”
মনি বলেন, দৈনিক সোনলী খবর পত্রিকায় শিরোনামটি দেখেন। সেখানে কাটগড়কে “কাডঘর” আর মোজাফফর বিল্ডিংকে মোজ্জাফার ভবন লিখেছে। আর অপরাধ অনসন্ধান পোর্টালটিতে দেখেন— তারা চট্টগ্রামও লিখতে জানেনা। তাদের শিরোনামে লিখেছে “চট্রগ্রাম।” প্রতিবেদনের ভেতরে শুদ্ধ বানানে কয়টি শব্দ পাওয়া যাবে তা বলা মুশকিল।
এবার আপনারাই বলেন— এরা কি সাংবাদিক? আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদের পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে এসব ভুয়া সাংবাদিকদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। “
জেসি/চট্টগ্রাম