সংবাদ প্রকাশের পর নগরের চকবাজার থানার সেই ‘সোর্স’ রুবেল গা ঢাকা দিয়েছেন। তাকে এলাকায় প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না। তবে তার চায়ের দোকান এখনো রাস্তার উপর বহাল তবিয়তে রয়েছে। কোরবানির আগে শনিবার (১৫ জুন) রাত পর্যন্ত প্যারেড কর্ণার এলায় খড় ও ভুসির ব্যবসা করেছেন তিনি। পরদিন রোববার (১৬ জুন) সকালে থেকে তাকে আর ওই এলাকায় দেখা যায়নি।
এদিকে তার বিরুদ্ধে একাধিক সংবাদ প্রকাশ পরও এখনো কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমন ঘটনায় হতবাক এলাকার মানুষ ও আশাপাশের দোকানিরা।
এদিকে জাগো চট্টগ্রামে গত শনিবার (১৫ জুন) দখলমুক্ত হয়নি ‘সোর্স’ রুবেলের দখলে থাকা রাস্তা-ফুটপাত ও শুক্রবার (১৪ জুন) চকবাজারে পুলিশের প্রশ্রয়ে বেপরোয়া ‘সোর্স রুবেল শিরোনামে সচিত্র দুটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পরও নীরব চকবাজার থানা পুলিশ।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, ‘সোস’ রুবেল কোরবানির দুদিন আগেও (শনিবার) গভীর রাত পর্যন্ত প্যারেড কর্ণার এলাকার রাস্তা-ফুটপাত দখল করে জমজমাট খড় ও ভুসির ব্যবসা চালিয়ে গেছে। রোববার সকাল থেকে উধাও। তাকে এখনও পর্যন্ত এলাকায় দেখা যায়নি। সংবাদ প্রকাশের পরও পুলিশ তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
দোকানিরা জানায়, খড় ও ভুসির ব্যবসা করার সময় আশপাশে কাউকে এই ব্যবসা করতে দেয়নি। তাদের পুলিশের ভয় দেখানো হয়েছে। যারা করেছে তাদের কাছ থেকে প্রতিদিন পুলিশের নামে টাকা আদায় করেছে ‘সোর্স’ রুবেল। চকবাজার থানা পুলিশের সঙ্গে বেশ সখ্যতার তার। বিশেষ করে চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সারোয়ার আযমের সঙ্গে। এ কারণে সে বিভিন্ন অপরাধ করেও পার পেয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছ।
চকবাজার এলাকার আতঙ্ক ‘সোস’ রুবেলকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি এলাকাবাসীর।
জেসি